হাহাজিরখাতা
৫ জন পর্যন্ত চিরকাল ফ্রি

আপনার হাজিরা খাতা
এখন ফোনে।

কর্মীরা নিজের ফোন থেকে হাজিরা দেবে। আপনি ফোনেই দেখবেন আজ কে আসেনি, আর এ মাসে কে কতদিন দেরি করেছে। কোনো মেশিন কিনতে হবে না, কেউ এসে বসাতে আসবে না — ১০ মিনিটে চালু।

  • ক্রেডিট কার্ড লাগবে না
  • যেকোনো সময় বন্ধ করা যাবে
  • পুরোটাই বাংলায়
৳০
যন্ত্রপাতির খরচ
১০ মিনিট
চালু হতে লাগে
জন পর্যন্ত চিরকাল ফ্রি
পথ
ফোন · QR · মেশিন
এক নজরে

কীভাবে কাজ করে

হাজিরা তিন পথের যেকোনোটায় আসতে পারে, জমা হয় একটাই খাতায়, আর বেরোয় তিন রকম কাজে। মাঝখানে কাউকে কিছু হিসাব করতে হয় না।

কর্মীর নিজের ফোনঅফিসের সীমানার ভেতর থেকে, সেলফিসহ
গেটের পর্দায় QRকোড ৩০ সেকেন্ডে বদলায়, ছবি তুলে রাখা যায় না
হাজিরা মেশিনZKTeco/SenseFace — আঙুলের ছাপ বা মুখ
হাজিরখাতা শিফট, দেরির ছাড়, ছুটি আর সাপ্তাহিক বন্ধ মিলিয়ে প্রতিটা দিনের হিসাব
আজকের বোর্ডকে এল, কে দেরি করল, কে আসেনি
বেতন ও পে-স্লিপকাটাকুটিসহ নীট — ব্যাংক ও বিকাশের ফাইলও
রিপোর্ট ও রেজিস্টারসকালের SMS, মাসিক খাতা, ছাপার ছক

একই কর্মীর কিছুদিন ফোনে, কিছুদিন মেশিনে হাজিরা হলেও খাতা একটাই থাকে — সব ফিচার দেখুন →

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ

ফোনে অ্যাপ হিসেবেও চলে

একই হাজিরখাতা, ব্রাউজার ছাড়াই। হোম স্ক্রিনে আইকন, পুরো পর্দা, আর নতুন সংস্করণ এলে অ্যাপ নিজেই জানিয়ে দেয়।

হাজিরখাতা অ্যাপ নামিয়ে নিন

জিও-ফেন্স করা হাজিরা, সেলফি, QR স্ক্যান আর NFC কার্ড — সবগুলোই অ্যাপে চলে। Play Store লাগে না, ফাইলটা নামিয়ে একবার ইনস্টল করলেই হলো।

সংস্করণ ১.১.০ ৩১.৭ MB অ্যান্ড্রয়েড ৭ বা তার পরে

ফাইলটা নামানোর পর ফোন একবার “অজানা উৎস থেকে ইনস্টল” করার অনুমতি চাইবে — অ্যাপটা Play Store-এ নেই বলেই এই প্রশ্নটা আসে। iPhone-এ ব্রাউজারেই চলে।

ফলাফল

কী বদলাবে

যে কাজগুলো এখন হাতে হয়, সেগুলোর কোনটা কীভাবে বদলায়।

৳০
যন্ত্রপাতি কিনতে হয় না

মেশিন, তার, ইনস্টলেশন — কিছুই না। যে ফোনটা কর্মীর পকেটে আছে সেটাই যন্ত্র। যাঁদের ফোন নেই, তাঁদের জন্য গেটের QR বা কাগজের কার্ড।

১০ মিনিট
চালু হতে

কেউ এসে বসাবে না, সেটআপ ফি নেই, তারিখ নিতে হয় না। আজ সকালে অ্যাকাউন্ট খুললে আজ দুপুরেই প্রথম হাজিরা বসতে পারে।

এক ক্লিক
মাসের বেতন

পুরো বেতন থেকে অনুপস্থিতি, দেরি আর অগ্রিম কেটে নীট। যে হিসাবটা করতে মাসের শেষে সন্ধ্যা পার হয়ে যেত।

প্রমাণসহ
দেরির তর্ক শেষ

কখন, কোথা থেকে, কত দূর থেকে — সেলফিসহ জমা থাকে। “আমি তো ঠিক সময়েই এসেছিলাম” কথাটা আর তর্ক থাকে না।

যেখানেই থাকুন
অফিস দেখা যায়

দোকানে না গিয়েও দেখবেন কে খুলেছে, কখন খুলেছে। একাধিক শাখা থাকলে সবগুলো এক পর্দায়।

শ্রম আইন
রেজিস্টার ছাপা অবস্থায়

হাজিরা, ছুটি আর ওভারটাইমের ছক পরিদর্শকের সামনে রাখার মতো — খাতা হাতে লিখে রাখতে হয় না।

আজকের বোর্ড

প্রতিদিন সকালে যা জানতে চান

ড্যাশবোর্ড খুলতেও হবে না — একটা SMS-এ পুরো ছবি।

আজকের বোর্ড

উপস্থিত
১৮
দেরি
অনুপস্থিত
দেরিকরিম উদ্দিন৯:৪২৪২ মিনিট
দেরিসালমা আক্তার৯:৩৫৩৫ মিনিট
অনুপস্থিতরহিম মিয়া

কে কতদিন দেরি — এই মাসে

১. করিম উদ্দিন১১ দিন৪ ঘ ২০ মি
২. সালমা আক্তার৭ দিন১ ঘ ৫৫ মি
৩. জাহিদ হাসান৩ দিন৪০ মি
সকাল ১০:৩০-এ আপনার ফোনে: “২৫/০৮ — হাজির ১৮, দেরি ৩, অনুপস্থিত ১।”
চালু করা

তিনটে ধাপ, দশ মিনিট

এর বেশি কিছু করতে হয় না।

  1. প্রতিষ্ঠান খুলুননাম, মোবাইল নম্বর আর অফিসের সময় — এইটুকু দিলেই অ্যাকাউন্ট তৈরি।
  2. কর্মীর নাম বসাননাম আর মোবাইল নম্বর। যাঁদের ফোন নেই, তাঁদের হাজিরা হাতে বা মেশিন থেকে বসবে।
  3. অফিসে বসে একবার “আমি এখন এখানে আছি” চাপুনসীমানাটা বসে যাবে। কর্মীরা পরদিন সকাল থেকেই পাঞ্চ করতে পারবেন।

অ্যাকাউন্ট খোলার পর ভেতরেই একটা তালিকা থাকে — কোন ধাপ হয়েছে, কোনটা বাকি, সেটা নিজে থেকেই দেখায়।

বিশ্বাসযোগ্যতা

ঠকানো ঠেকানোই আসল কাজ

মোবাইলে হাজিরার একমাত্র প্রশ্ন — কেউ বাসায় বসে পাঞ্চ করতে পারবে কি না। পাঁচ স্তরের পরীক্ষা, প্রত্যেকটা আলাদাভাবে ধরে।

অফিসের সীমানা

ম্যাপে পিন আর ব্যাসার্ধ। বাইরে থেকে পাঞ্চ করলে ধরা পড়বে, দূরত্বসহ।

ভুয়া GPS শনাক্ত

অ্যাপ থেকে পাঞ্চ করলে Fake-GPS অ্যাপ চললে Android নিজেই বলে দেয়।

এক ফোন, এক কর্মী

ফোন কর্মীর সাথে বাঁধা। বন্ধুর ফোনে পাঞ্চ করা যায় না।

প্রতি পাঞ্চে সেলফি

ছবি রিপোর্টে জমা থাকে। সন্দেহ হলে নিজেই দেখে নিন।

অসম্ভব গতি

আগের পাঞ্চ থেকে ১১ কিমি ৪ মিনিটে? সার্ভার নিজেই ধরে ফেলে।

অবিকল একই অবস্থান

আসল GPS প্রতিবার একটু কাঁপে। পিন করা ভুয়া কখনো কাঁপে না।

ব্রাউজার থেকে কী কী ধরা যায় না, সেটাও লেখা আছে →

বেতন

হাজিরা থেকে বেতন — মাঝখানে খাতা-কলম নেই

মাস শেষে যে হিসাবটা করতে সন্ধ্যা পার হয়ে যায়, সেটা এক ক্লিকে।

স্বয়ংক্রিয় বেতন

পুরো বেতন থেকে অনুপস্থিতি, দেরি আর অগ্রিম কেটে নীট। নিয়মগুলো আপনার।

পে-স্লিপ

প্রতি কর্মীর নিজের রসিদ — তিনি নিজের ফোনেই দেখতে পান।

ব্যাংক-রেডি শিট

BEFTN আপলোডের CSV, আর বিকাশ/নগদের জন্য আলাদা বিতরণ ফাইল।

ছুটি ও রোস্টার

শ্রম আইনের ছুটির ধরন বসানোই থাকে। সপ্তাহের রোস্টার শাখা ধরে।

শ্রম আইনের রেজিস্টার

ছাপার উপযোগী ছক — পরিদর্শকের সামনে রাখার মতো।

মেশিন থাকলে সেটাও

ZKTeco/SenseFace জুড়ে দিন — ফোন আর মেশিন একই খাতায়।

সব ফিচার দেখুন →

শিল্প ধরে

কাদের জন্য

একই খাতা, আপনার কাজের ভাষায়।

দোকান ও রেস্টুরেন্ট

শিফট, দেরি আর ওভারটাইম — মেশিন ছাড়া।

কারখানা ও গার্মেন্টস

শ্রম আইনের রেজিস্টার আর শত শত কর্মীর বেতন।

স্কুল ও মাদ্রাসা

শিক্ষক-কর্মচারীর হাজিরা, সাথে ছাত্রীর হাজিরা ও অভিভাবকের SMS।

ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক

রাতের শিফট, রোস্টার আর ছুটির হিসাব।

অফিস ও এনজিও

একাধিক শাখা, মাঠকর্মী আর মাসিক রিপোর্ট।

খোলা হিসাব

দাম

যত কর্মী, তত টাকা। কোনো সেটআপ ফি নেই, কোনো মেশিন নেই।

ফ্রি
৳০
৫ জন কর্মী পর্যন্ত
  • মোবাইল হাজিরা, সীমানা, সেলফি
  • আজকের বোর্ড ও দেরির রিপোর্ট
  • কর্মীর নিজের পাতা
  • Excel/CSV এক্সপোর্ট
শুরু করুন
প্রো
জনপ্রিয়
৳৩০ /কর্মী/মাস
সর্বনিম্ন ৳৩০০ · সর্বোচ্চ ৳২৫০০
  • ফ্রি-র সব কিছু, সীমাহীন ইতিহাস
  • দেরি ও অনুপস্থিতির SMS
  • বেতন, পে-স্লিপ, ব্যাংক শিট
  • একাধিক শাখা, শিফট, ছুটি, রোস্টার
  • হাজিরা মেশিন ও অফলাইন PC অ্যাপ
  • API + webhook
শুরু করুন

১০ জনের অফিসে প্রথম বছরের খরচ

মেশিনওয়ালা সমাধানহাজিরখাতা
ডিভাইস৳১২,০০০+৳০
ইনস্টলেশন৳২,০০০–৮,০০০৳০
সফটওয়্যার (১২ মাস)৳১২,০০০৳৩৬০০
মোট≈ ৳২৭,০০০৳৩৬০০
চালু হতে সময়১–৩ সপ্তাহ১০ মিনিট

আপনার কর্মী সংখ্যায় কত পড়বে, দেখুন →

API

নিজের সফটওয়্যারের সাথে জুড়ে নিন

প্রতি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব API key। মাসের শেষে বেতনের হিসাব এক কলে।

GET /api/v1/reports/payroll-export?from=2026-08-01&to=2026-08-31
Authorization: Bearer hk_live_••••

{ "rows": [ { "name": "করিম উদ্দিন", "presentDays": 24, "lateDays": 11,
              "absentDays": 2, "lateMinutes": 260, "overtimeMinutes": 90 } ] }

রিয়েল-টাইম দরকার হলে webhook — প্রতিটা পাঞ্চ HMAC সই করে আপনার সার্ভারে।

সংশয়

যে প্রশ্নগুলো সবাই করেন

বাকিগুলোর উত্তর প্রশ্নোত্তরের পাতায়।

কর্মীর স্মার্টফোন না থাকলে?
তাঁদের হাজিরা গেটের QR পর্দা থেকে, কাগজের কার্ড স্ক্যান করে, হাজিরা মেশিন থেকে, বা ম্যানেজার হাতেও বসাতে পারেন। একই কর্মীর কিছুদিন এক পথে, কিছুদিন আরেক পথে হাজিরা হলেও খাতা একটাই থাকে।
কেউ বাসায় বসে হাজিরা দিতে পারবে?
না। অফিসের সীমানা আর ব্যাসার্ধ আপনি বসান, আর প্রতিটা পাঞ্চের সাথে দূরত্ব ও সেলফি জমা থাকে। ভুয়া GPS অ্যাপ, বন্ধুর ফোন, অসম্ভব গতি আর অবিকল একই অবস্থান — পাঁচ রকম পরীক্ষা আলাদাভাবে ধরে।
ইন্টারনেট না থাকলে কী হয়?
পাঞ্চ ফোনেই জমা থাকে আর সংযোগ ফিরলে নিজে থেকেই চলে যায়। অফিসে ইন্টারনেট একেবারেই না থাকলে অফলাইন PC অ্যাপটা মেশিন থেকে হাজিরা তুলে রাখে, পরে সিঙ্ক করে।
আগের মেশিন কেনা আছে, সেটা কি বাদ যাবে?
না। ZKTeco বা SenseFace মেশিন থাকলে সেটা জুড়ে দিন — ফোন আর মেশিনের হাজিরা একই খাতায় বসে, আর বেতনের হিসাবে দুটোই একসাথে গোনা হয়।
তথ্য কি নিরাপদ?
প্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রতিষ্ঠানের — অন্য কেউ দেখতে পায় না, আর আমরা কাউকে বিক্রি করি না। যেকোনো দিন পুরো খাতা CSV করে নামিয়ে নিতে পারেন, বন্ধ করে দিলেও।

সব প্রশ্নোত্তর দেখুন →

আজ সকাল থেকেই শুরু করুন

কার্ড লাগবে না, কেউ ফোন করে বিরক্ত করবে না। দশ মিনিটে অ্যাকাউন্ট খুলে আজ দুপুরেই প্রথম হাজিরা বসাতে পারেন।

পণ্য

সব ফিচার দাম বেতন ও পে-স্লিপ হাজিরা মেশিন অফলাইন PC অ্যাপ

কাদের জন্য

দোকান ও রেস্টুরেন্টকারখানা ও গার্মেন্টসস্কুল ও মাদ্রাসাক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকঅফিস ও এনজিও

সাহায্য

প্রশ্নোত্তর যোগাযোগ ও ডেমো প্রবেশ নতুন অ্যাকাউন্ট

প্রতিষ্ঠান

আমাদের কথা ব্যবহারের শর্ত গোপনীয়তা নীতি সেবার অবস্থা
© ২০২৬ হাজিরখাতা · বাংলাদেশের ছোট অফিসের জন্য
০১৭১১-০০০০০০