কর্মীরা নিজের ফোন থেকে হাজিরা দেবে। আপনি ফোনেই দেখবেন আজ কে আসেনি, আর এ মাসে কে কতদিন দেরি করেছে। কোনো মেশিন কিনতে হবে না, কেউ এসে বসাতে আসবে না — ১০ মিনিটে চালু।
হাজিরা তিন পথের যেকোনোটায় আসতে পারে, জমা হয় একটাই খাতায়, আর বেরোয় তিন রকম কাজে। মাঝখানে কাউকে কিছু হিসাব করতে হয় না।
একই কর্মীর কিছুদিন ফোনে, কিছুদিন মেশিনে হাজিরা হলেও খাতা একটাই থাকে — সব ফিচার দেখুন →
একই হাজিরখাতা, ব্রাউজার ছাড়াই। হোম স্ক্রিনে আইকন, পুরো পর্দা, আর নতুন সংস্করণ এলে অ্যাপ নিজেই জানিয়ে দেয়।
জিও-ফেন্স করা হাজিরা, সেলফি, QR স্ক্যান আর NFC কার্ড — সবগুলোই অ্যাপে চলে। Play Store লাগে না, ফাইলটা নামিয়ে একবার ইনস্টল করলেই হলো।
ফাইলটা নামানোর পর ফোন একবার “অজানা উৎস থেকে ইনস্টল” করার অনুমতি চাইবে — অ্যাপটা Play Store-এ নেই বলেই এই প্রশ্নটা আসে। iPhone-এ ব্রাউজারেই চলে।
যে কাজগুলো এখন হাতে হয়, সেগুলোর কোনটা কীভাবে বদলায়।
মেশিন, তার, ইনস্টলেশন — কিছুই না। যে ফোনটা কর্মীর পকেটে আছে সেটাই যন্ত্র। যাঁদের ফোন নেই, তাঁদের জন্য গেটের QR বা কাগজের কার্ড।
কেউ এসে বসাবে না, সেটআপ ফি নেই, তারিখ নিতে হয় না। আজ সকালে অ্যাকাউন্ট খুললে আজ দুপুরেই প্রথম হাজিরা বসতে পারে।
পুরো বেতন থেকে অনুপস্থিতি, দেরি আর অগ্রিম কেটে নীট। যে হিসাবটা করতে মাসের শেষে সন্ধ্যা পার হয়ে যেত।
কখন, কোথা থেকে, কত দূর থেকে — সেলফিসহ জমা থাকে। “আমি তো ঠিক সময়েই এসেছিলাম” কথাটা আর তর্ক থাকে না।
দোকানে না গিয়েও দেখবেন কে খুলেছে, কখন খুলেছে। একাধিক শাখা থাকলে সবগুলো এক পর্দায়।
হাজিরা, ছুটি আর ওভারটাইমের ছক পরিদর্শকের সামনে রাখার মতো — খাতা হাতে লিখে রাখতে হয় না।
ড্যাশবোর্ড খুলতেও হবে না — একটা SMS-এ পুরো ছবি।
| দেরি | করিম উদ্দিন | ৯:৪২ | ৪২ মিনিট |
| দেরি | সালমা আক্তার | ৯:৩৫ | ৩৫ মিনিট |
| অনুপস্থিত | রহিম মিয়া | — | — |
| ১. করিম উদ্দিন | ১১ দিন | ৪ ঘ ২০ মি |
| ২. সালমা আক্তার | ৭ দিন | ১ ঘ ৫৫ মি |
| ৩. জাহিদ হাসান | ৩ দিন | ৪০ মি |
এর বেশি কিছু করতে হয় না।
অ্যাকাউন্ট খোলার পর ভেতরেই একটা তালিকা থাকে — কোন ধাপ হয়েছে, কোনটা বাকি, সেটা নিজে থেকেই দেখায়।
মোবাইলে হাজিরার একমাত্র প্রশ্ন — কেউ বাসায় বসে পাঞ্চ করতে পারবে কি না। পাঁচ স্তরের পরীক্ষা, প্রত্যেকটা আলাদাভাবে ধরে।
ম্যাপে পিন আর ব্যাসার্ধ। বাইরে থেকে পাঞ্চ করলে ধরা পড়বে, দূরত্বসহ।
অ্যাপ থেকে পাঞ্চ করলে Fake-GPS অ্যাপ চললে Android নিজেই বলে দেয়।
ফোন কর্মীর সাথে বাঁধা। বন্ধুর ফোনে পাঞ্চ করা যায় না।
ছবি রিপোর্টে জমা থাকে। সন্দেহ হলে নিজেই দেখে নিন।
আগের পাঞ্চ থেকে ১১ কিমি ৪ মিনিটে? সার্ভার নিজেই ধরে ফেলে।
আসল GPS প্রতিবার একটু কাঁপে। পিন করা ভুয়া কখনো কাঁপে না।
মাস শেষে যে হিসাবটা করতে সন্ধ্যা পার হয়ে যায়, সেটা এক ক্লিকে।
পুরো বেতন থেকে অনুপস্থিতি, দেরি আর অগ্রিম কেটে নীট। নিয়মগুলো আপনার।
প্রতি কর্মীর নিজের রসিদ — তিনি নিজের ফোনেই দেখতে পান।
BEFTN আপলোডের CSV, আর বিকাশ/নগদের জন্য আলাদা বিতরণ ফাইল।
শ্রম আইনের ছুটির ধরন বসানোই থাকে। সপ্তাহের রোস্টার শাখা ধরে।
ছাপার উপযোগী ছক — পরিদর্শকের সামনে রাখার মতো।
ZKTeco/SenseFace জুড়ে দিন — ফোন আর মেশিন একই খাতায়।
একই খাতা, আপনার কাজের ভাষায়।
শিফট, দেরি আর ওভারটাইম — মেশিন ছাড়া।
শ্রম আইনের রেজিস্টার আর শত শত কর্মীর বেতন।
শিক্ষক-কর্মচারীর হাজিরা, সাথে ছাত্রীর হাজিরা ও অভিভাবকের SMS।
রাতের শিফট, রোস্টার আর ছুটির হিসাব।
একাধিক শাখা, মাঠকর্মী আর মাসিক রিপোর্ট।
যত কর্মী, তত টাকা। কোনো সেটআপ ফি নেই, কোনো মেশিন নেই।
| মেশিনওয়ালা সমাধান | হাজিরখাতা | |
|---|---|---|
| ডিভাইস | ৳১২,০০০+ | ৳০ |
| ইনস্টলেশন | ৳২,০০০–৮,০০০ | ৳০ |
| সফটওয়্যার (১২ মাস) | ৳১২,০০০ | ৳৩৬০০ |
| মোট | ≈ ৳২৭,০০০ | ৳৩৬০০ |
| চালু হতে সময় | ১–৩ সপ্তাহ | ১০ মিনিট |
প্রতি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব API key। মাসের শেষে বেতনের হিসাব এক কলে।
GET /api/v1/reports/payroll-export?from=2026-08-01&to=2026-08-31
Authorization: Bearer hk_live_••••
{ "rows": [ { "name": "করিম উদ্দিন", "presentDays": 24, "lateDays": 11,
"absentDays": 2, "lateMinutes": 260, "overtimeMinutes": 90 } ] }রিয়েল-টাইম দরকার হলে webhook — প্রতিটা পাঞ্চ HMAC সই করে আপনার সার্ভারে।
বাকিগুলোর উত্তর প্রশ্নোত্তরের পাতায়।
কার্ড লাগবে না, কেউ ফোন করে বিরক্ত করবে না। দশ মিনিটে অ্যাকাউন্ট খুলে আজ দুপুরেই প্রথম হাজিরা বসাতে পারেন।