হা হাজিরখাতাখাতা এখন পকেটে

প্রশ্নোত্তর

যা এখনো কাজ করে না, সেটাও এখানেই লেখা আছে।

মোবাইল দিয়েই

হাজিরা মেশিন কি কিনতেই হবে?
না। কর্মী নিজের ফোন থেকে হাজিরা দেন, গেটে একটা পুরনো ফোন বা ট্যাবে QR খুলে রাখা যায়, আর ব্যবস্থাপক নিজের ফোন থেকে হাতেও বসাতে পারেন। মেশিন আগে থেকে থাকলে সেটাও জোড়া যায় — না থাকলে কিনতে হয় না।
মোবাইল আর কম্পিউটার — দুটোতেই চলবে?
হ্যাঁ, একই অ্যাকাউন্টে দুটোতেই। মোবাইলে ব্রাউজার বা অ্যাপে, আর কম্পিউটারে hazirkhata.com খুলে — খাতা একটাই, একটায় যা বদলাবেন অন্যটায় সাথে সাথে দেখা যাবে।
কর্মীর স্মার্টফোন না থাকলে?
তাঁর হাজিরা গেটের QR পর্দা থেকে, কাগজের কার্ড স্ক্যান করে, বা ব্যবস্থাপক নিজের ফোন থেকে হাতে বসাতে পারেন। কেউ ফোনে, কেউ কার্ডে দিলেও খাতা একটাই থাকে।
কেউ বাসায় বসে হাজিরা দিয়ে দিলে?
অফিসের সীমানা বসানো থাকলে বাইরে থেকে দেওয়া হাজিরা আটকে যায়, আর কত দূরে ছিলেন সেটাও লেখা থাকে। চাইলে সাথে সেলফিও নেওয়া যায় — তর্কের সময় প্রমাণটা হাতে থাকে।
আমার আগে থেকেই হাজিরা মেশিন আছে
ZKTeco বা SenseFace হলে জুড়ে দিন — মেশিন আর ফোনের হাজিরা একই খাতায় বসে, আলাদা টাকা লাগে না। জোড়া লাগাতে আটকালে ফোন করুন: ০১৬৮০৯৫৪৮৫৬। হাজিরা ডিভাইস →
অ্যাপ নামাতে হবে?
লাগে না — ফোনের ব্রাউজারেই সব চলে। Android অ্যাপও আছে, হোম পাতা থেকে নামানো যায়; iPhone-এ ব্রাউজারে ব্যবহার করুন।

খরচ

মাসে কত টাকা লাগবে?
৯ জন পর্যন্ত চিরকাল ফ্রি। তার বেশি হলে মানুষের সংখ্যার ধাপে মাসিক প্যাকেজ; স্কুলে শিক্ষক আর ছাত্রছাত্রী জনপ্রতি, প্যাকেজের দামের বেশি কখনো নয়। SMS আলাদা, যতটা পাঠান ততটাই। নতুন প্রতিষ্ঠান ৩০ দিন সব সুবিধা ফ্রি পায় — কার্ড লাগে না। দামের হিসাব দেখুন →

শুরু

শুরু করতে কী কী লাগে?
প্রতিষ্ঠানের নাম আর আপনার মোবাইল নম্বর — এইটুকুই। নিবন্ধন করলে নম্বরে একটা কোড যায়; সেটা দিয়ে ঢুকে কর্মীদের নাম বসালেই খাতা চালু। ১০ মিনিটের কাজ। ফ্রি নিবন্ধন করুন →
প্রবেশ করতে গিয়ে কোড আসছে না
“প্রবেশ” তাঁদের জন্য যাঁদের খাতা আগে থেকেই খোলা। নতুন হলে আগে “নিবন্ধন” করুন — তখনই নম্বরে কোড যাবে। নিবন্ধনের পরেও কোড না এলে ফোন করুন: ০১৬৮০৯৫৪৮৫৬। নিবন্ধনের পাতা →
আগে একটা নমুনা বা ডেমো দেখা যাবে?
ফ্রি অ্যাকাউন্ট খুললেই ৩০ দিন সবকিছু নিজে চালিয়ে দেখতে পারবেন — মাসিক হাজিরা খাতা, দেরির রিপোর্ট, বেতন শীট; ছাপা যায়, Excel আর PDF-এও নামে। ফোনে দেখে নিতে চাইলে নাম আর নম্বর লিখে দিন, আমরা কল করব। ফ্রি অ্যাকাউন্ট খুলুন →
সাহায্য লাগলে কোথায় বলব?
ফোন করুন ০১৬৮০৯৫৪৮৫৬ — বাংলাতেই কথা হবে, বসাতে আটকালে ধরে ধরে করিয়ে দেওয়া ফ্রি। এখানে লিখে রাখলেও উত্তর পাবেন।
পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে?
প্রবেশের পাতায় “পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?” চাপুন — নম্বরে কোড যাবে, তারপর নতুন পাসওয়ার্ড বসাবেন। নতুন পাসওয়ার্ড →

কার জন্য

স্কুল বা মাদ্রাসায় ছাত্রছাত্রীর হাজিরা হবে?
হ্যাঁ। শ্রেণি ধরে ছাত্রছাত্রীর হাজিরা, মাসিক খাতা আর আইডি কার্ড আছে; শিক্ষক ফোন থেকেই গোটা শ্রেণির হাজিরা বসাতে পারেন। অনুপস্থিত হলে অভিভাবককে বার্তা পাঠানোর ব্যবস্থাও আছে — আপনি অনুমোদন দিলে যায়। স্কুলের জন্য বিস্তারিত →
একাধিক শিফট বা আলাদা সময়সূচি চলবে?
হ্যাঁ। যত খুশি শিফট বানিয়ে কাকে কোনটা দেবেন ঠিক করা যায়, সপ্তাহের রোস্টারও আছে। রমজান বা পরীক্ষার দিনের জন্য আলাদা সময় বসালে ঐ দিনগুলোর দেরি সেই হিসাবেই ধরা হয়। শিফট ও ছুটির দিন →
বেতনের হিসাবও হবে?
হ্যাঁ। হাজিরা থেকেই মাসের বেতন শীট তৈরি হয় — অনুপস্থিতি, দেরি আর অগ্রিম ধরে। কত মিনিট ছাড়, কয় দিন দেরিতে এক দিন কাটা — নিয়মগুলো আপনিই ঠিক করেন।

তথ্য

আমার তথ্য নিরাপদ থাকবে?
আপনার প্রতিষ্ঠানের তথ্য শুধু আপনারাই দেখেন — আমরা কাউকে দিই না। রোজ ব্যাকআপ হয়, আর যেকোনো দিন পুরো খাতা নামিয়ে নিতে পারেন, বন্ধ করে দিলেও।
তথ্য কোথায় থাকে?
আমাদের সার্ভারে, প্রতিটা প্রতিষ্ঠানের তথ্য আলাদা করে। কোনো কর্মী নিজের হাজিরার রেকর্ড বদলাতে পারেন না — সংশোধন শুধু ব্যবস্থাপক করতে পারেন, আর সেটাও খতিয়ানে ওঠে।
সেলফির ছবিগুলো কে দেখতে পান?
শুধু ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক। ছবি পাঞ্চের খতিয়ান থেকেই খোলা যায়, আর অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের কেউ ওটা পান না।

ঠকানো

কেউ বাসায় বসে পাঞ্চ করতে পারবে?
অফিসের সীমানা বসানো থাকলে বাইরে থেকে পাঞ্চ আটকে যায়, আর কত মিটার দূরে ছিলেন সেটাও লেখা থাকে। সাথে সেলফি, ফোনের সাথে বাঁধা পরিচয়, আর দুই পাঞ্চের মাঝের অসম্ভব গতি — সবগুলো আলাদাভাবে ধরে।
ভুয়া GPS অ্যাপ চালালে?
ব্রাউজার থেকে দেওয়া পাঞ্চে ভুয়া-GPS অ্যাপ বা রুট করা ফোন শনাক্ত করা যায় না — ব্রাউজার ওই তথ্যটা দেয়ই না। ওখানে দূরত্ব, নির্ভুলতা, গতি আর সেলফি দিয়ে যাচাই হয়। পূর্ণ যাচাই (mock-GPS, রুট, এমুলেটর শনাক্ত) অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপে আছে, আর সেটা এখনো Play Store-এ ওঠেনি।
বাতিল হওয়া পাঞ্চের কী হয়?
জমা থাকে, মুছে ফেলা হয় না — কেন বাতিল হলো সেটাসহ। ঠকানোর চেষ্টার প্রমাণটাই তো আপনি খুঁজছেন।

বেতন

বেতনের হিসাব কীভাবে হয়?
মাসের পুরো বেতন দিয়ে শুরু, তারপর অনুপস্থিতি আর দেরির কর্তন বাদ যায়, শেষে অগ্রিমের কিস্তি। কর্তনের নিয়মগুলো আপনার — কত মিনিট গ্রেস, কয় দিন দেরিতে এক দিন অনুপস্থিত, মাসের ভাগ ৩০ দিনে না ক্যালেন্ডারে।
মাস লক করার পর হাজিরা ঠিক করলে?
দেওয়া বেতন বদলায় না। লক করা মাসের রসিদই সত্য — নভেম্বরে অক্টোবরের পাঞ্চ শুধরালে অক্টোবরের বেতন অটুট থাকে। সত্যিই বদলাতে চাইলে আনলক করতে হবে, আর তখন ওই মাসে কাটা অগ্রিমও ফেরত যায়।
ব্যাংকে বেতন পাঠাতে পারব?
হ্যাঁ। BEFTN আপলোডের জন্য আলাদা CSV আছে — হিসাব নম্বর, ৯-অঙ্কের রাউটিং নম্বর, টাকা। যাঁদের তথ্য অসম্পূর্ণ, তাঁরা ফাইলে REVIEW লেখা অবস্থায় থাকেন, চুপচাপ বাদ পড়েন না।

SMS

SMS কি নিজে থেকেই চলে যায়?
না — আর সেটা ইচ্ছে করেই। দেরি বা অনুপস্থিতির বার্তা তৈরি হয়ে “SMS” পাতায় জমা থাকে; আপনি দেখে অনুমোদন দিলে তবেই যায়, যাতে সময়সূচির একটা ভুলে অভিভাবকের কাছে ভুল খবর না পৌঁছায়। একমাত্র ব্যতিক্রম লগইনের কোড — ওটা সাথে সাথেই যায়।

মেশিন

ইন্টারনেট না থাকলে?
হাজিরখাতা ডেস্ক নামে একটা PC অ্যাপ আছে যেটা অফিসের ভেতরেই চলে, LAN-এর মেশিন থেকে পাঞ্চ টানে, আর ইন্টারনেট এলে ক্লাউডের সাথে মিলিয়ে নেয়।

টাকা

আগে টাকা দিতে হবে?
না। মাস শেষে ওই মাসের কর্মী গুনে চালান হয়। ক্রেডিট কার্ড লাগে না — বিকাশ, নগদ বা ব্যাংক।
বন্ধ করলে তথ্যের কী হয়?
মুছে ফেলা হয় না। CSV-তে নামিয়ে নিতে পারবেন — হাজিরা, বেতন, সব।

উত্তর পেলেন না?

লিখে পাঠান, আমরা ফোন করব।

যোগাযোগ করুন
হাহাজিরখাতা

খাতা এখন পকেটে

হাজিরা থেকে বেতন — এক খাতায়।

পণ্য

সব ফিচার দাম বেতন ও পে-স্লিপ হাজিরা মেশিন অফলাইন PC অ্যাপ

কাদের জন্য

দোকান ও রেস্টুরেন্টকারখানা ও গার্মেন্টসস্কুল ও মাদ্রাসাক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিকঅফিস ও এনজিও

সাহায্য

প্রশ্নোত্তর যোগাযোগ ও ডেমো প্রবেশ নতুন অ্যাকাউন্ট

প্রতিষ্ঠান

আমাদের কথা ব্যবহারের শর্ত গোপনীয়তা নীতি সেবার অবস্থা
© ২০২৬ হাজিরখাতা · বাংলাদেশের অফিস, কারখানা, স্কুল ও দোকানের জন্য
০১৬৮০৯৫৪৮৫৬