হাজিরা থেকে বেতন পর্যন্ত পুরো পথটা এক জায়গায়। নিচে যা যা আছে সবই আজ কাজ করে — যা এখনো হয়নি সেটা প্রশ্নোত্তরে লেখা আছে।
কে এল, কে এল না, কে দেরি করে এল — সকালে এই তিনটেই প্রশ্ন।
কর্মী নিজের ফোনের ব্রাউজারেই প্রবেশ-প্রস্থান দেন। অ্যাপ নামাতে হয় না।
ম্যাপে পিন আর ব্যাসার্ধ। বাইরে থেকে পাঞ্চ করলে দূরত্বসহ ধরা পড়ে।
ছবি খতিয়ানে জমা থাকে। সন্দেহ হলে নিজেই দেখে নিন।
উপস্থিত, দেরি, অনুপস্থিত — এক পর্দায়, শাখা ধরে ভাগ করা।
মাস ধরে সাজানো তালিকা। কথা বলার আগে সংখ্যাটা হাতে থাকে।
পুরো মাসের ছক — প/দ/× অথবা প্রবেশ-প্রস্থানের সময়।
মোবাইলে হাজিরার একমাত্র প্রশ্ন — কেউ বাসায় বসে পাঞ্চ করতে পারবে কি না।
অ্যাপ থেকে পাঞ্চ করলে Fake-GPS অ্যাপ চললে Android নিজেই বলে দেয়।
ফোন কর্মীর সাথে বাঁধা। বন্ধুর ফোনে পাঞ্চ করলে ধরা পড়ে।
আগের পাঞ্চ থেকে ১১ কিমি ৪ মিনিটে? সার্ভার নিজেই ধরে।
আসল GPS প্রতিবার একটু কাঁপে। পিন করা ভুয়া কখনো কাঁপে না।
ঠকানোর চেষ্টার প্রমাণ মুছে ফেলা হয় না — খতিয়ানে সব থাকে।
সংশোধন শুধু ব্যবস্থাপক করতে পারেন, আর সেটাও খতিয়ানে ওঠে।
হাজিরার খাতা থেকে বেতনের হিসাব — মাঝখানে খাতা-কলম নেই।
মাসের বেতন থেকে অনুপস্থিতি ও দেরি কেটে নীট বের হয়। নিয়মগুলো আপনার।
প্রতি কর্মীর নিজের রসিদ — কী পেলেন, কী কাটা গেল, কেন।
BEFTN আপলোডের জন্য হিসাব নম্বর ও রাউটিং নম্বরসহ CSV।
বাল্ক আপলোডের জন্য আলাদা ফাইল — নম্বর আর টাকা।
অগ্রিম বেতন থেকে কিস্তিতে কাটা হয়, নীট কখনো ঋণাত্মক হয় না।
নভেম্বরে অক্টোবরের পাঞ্চ ঠিক করলেও অক্টোবরে দেওয়া বেতন বদলায় না।
শ্রম আইন ২০০৬-এর ছুটির ধরনগুলো প্রথম দিনেই বসানো থাকে।
কর্মী ফোন থেকে আবেদন করেন, আপনি এক চাপে অনুমোদন দেন।
নৈমিত্তিক ১০, পীড়া ১৪, অর্জিত — গোনা হয়, জমিয়ে রাখা হয় না, তাই ভুল হয় না।
সকাল-বিকাল-রাত, আলাদা সাপ্তাহিক ছুটি, গ্রেস টাইম।
সপ্তাহের ছক — কে কোন দিন কোন শিফটে। শাখা ধরে আলাদা করে।
শিফট না বদলেই তারিখ-সীমা ধরে সময় পাল্টায় — আগের মাসের হিসাব অটুট থাকে।
২১ ফেব্রু, ২৬ মার্চ, পহেলা বৈশাখ — বসানোই থাকে, বাকিটা আপনি যোগ করেন।
দুটো দোকান হোক বা নয়টা শাখা — একটাই পর্দা।
আলাদা পিন, আলাদা ব্যাসার্ধ, আলাদা কর্মী।
একাধিক প্রতিষ্ঠানের মালিক হলে সবগুলোর আজকের ছবি এক ছকে।
বোর্ড, কর্মী, খাতা, রোস্টার, বেতন — সবেতেই শাখা বেছে নেওয়া যায়।
ম্যানেজার নিজের কাজটুকু দেখেন, কর্মী শুধু নিজেরটা।
কর্মী যা জিজ্ঞেস করতে আসেন, তার প্রায় সবটাই তিনি নিজেই দেখতে পান।
গত ৩০ দিন — কবে দেরি, কবে অনুপস্থিত, কত মিনিট।
কত বাকি আছে, আবেদন কোন অবস্থায়, প্রত্যাহারও নিজেই।
লক হওয়া মাসগুলোর রসিদ — খসড়া মাস দেখানো হয় না।
পদবি, শাখা, PIN, কাগজপত্র, অগ্রিমের বাকি।
মেশিন থাকলে সেটাও চলবে — ফোন আর মেশিন একই খাতায়।
ADMS পুশ — মেশিন নিজেই ইন্টারনেটে পাঞ্চ পাঠায়, আলাদা কম্পিউটার লাগে না।
মেশিনে জমা থাকা লগও টেনে আনা যায়।
মেশিনের PIN কর্মীর সাথে মেলালেই পুরনো পাঞ্চ খাতায় বসে যায়।
ইন্টারনেট গেলে অফিস থেমে থাকে না।
হাজিরখাতা ডেস্ক — LAN-এর মেশিন থেকে পাঞ্চ টানে, ইন্টারনেট এলে ক্লাউডে মেলায়।
প্রতি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব key। প্রতিটা পাঞ্চ HMAC সই করে আপনার সার্ভারে।
হাজিরা, প্রবেশ-প্রস্থান, বেতন — সবই নামানো যায়।
ছাপার উপযোগী ছক, পরিদর্শকের সামনে রাখার মতো।